আম্পায়ার ইস্যুতে মুখ খুললেন সুজন

ডারবানের কিংসমিডে দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্ট খেলছে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ আফ্রিকা। টেস্টে অন-ফিল্ড আম্পায়ার স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকার আড্রিয়ান হোল্ডস্টক ও মারাইস ইরাসমস। টিভি ও রিজার্ভ আম্পায়ারও দক্ষিণ আফ্রিকার। তবে ম্যাচ রেফারি শুধুমাত্র জিম্বাবুয়ের। যদিও মাঠের পরিচালনাটা করছেন হোল্ডস্টক ও ইরাসমাসই। কিন্তু এই দুই অন-ফিল্ড আম্পায়ারের দায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বাংলাদেশের সেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান।

চতুর্থ দিনের প্রথম সেশন থেকেই দুই আম্পায়ারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে ডিন এলগারের বিপক্ষে মেহেদী হাসান মিরাজের এলবিডব্লুর আবেদন নিয়ে। বেশ জোরালো আবেদন করা হলেও সাড়া দেননি আম্পায়ার মারাই এরাসমাস। রিভিউ নিলেও আম্পায়ার্স কলে বেঁচে যান এলগার।
আম্পায়ারদের এমন আচরণে ক্ষুব্ধ হয়ে সাকিব আল হাসান টুইট করেন আইসিসিকে উদ্দেশ্য করে। তার দাবি ছিল করোনার প্রকোপ কমে আসায় নিরপেক্ষ আম্পায়ারে ফিরে যেতে। এবার মুখ খুললেন টিম ডিরেক্টর খালেদ মাহমুদ সুজনও। চতুর্থ দিনের খেলা শেষে সুজন বলেছেন, ‘এখন তো সারা বিশ্বই খুলে গেছে (কোভিড বিরতির পর)। নিরপেক্ষ আম্পায়ার দেওয়ার ব্যাপারটা আশা করি আইসিসি দেখবে।’

ডারবানে আম্পায়ারদের ভূমিকা টেনে সুজন আরও বলেছেন, ‘অবশ্যই আমি মনে করি আম্পায়ার একটা বড় ভূমিকা পালন করেন। একটা টেস্ট ম্যাচের জন্য একটা সিদ্ধান্ত অনেক কিছু নির্ভর করে আসলে। সকাল থেকে সবাই দেখেছেন আম্পায়ারিং, এটা তো লুকানোর কিছু নেই। কিছু সিদ্ধান্ত আমাদের বিপক্ষে গিয়েছে যেটা আগে যদি পেতাম। তাহলে হয়তো ২৭০ তাড়া না করে এখন ১৮০ তাড়া করতাম। আম্পায়াদের রেসপেক্ট। তারা মাঠের বিচারক। আমাদের মেনে নিতে হবে সব সময়ই। আমরা একটা রিভিউ নিলে উইকেট পেতাম, ভয়ে নেওয়া হয়নি আসলে। এত ইনকন্সটিন্টেন্স আম্পায়ারিং অনেক দিন পর দেখলাম সত্যি কথা বলতে।’

মন্তব্য করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *