বাংলার পি কে হালদার যেভাবে পশ্চিমবঙ্গে গিয়ে শিবশংকর হলেন

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে করা মামলার পলাতক আসামি প্রশান্ত কুমার হালদার (পি কে হালদার)-কে গ্রেফতার করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। জানা গেছে, বর্ধমানের কাটোয়া এলাকায় ‘শিবশঙ্কর হালদার’ নামের ছদ্ম পরিচয়ে তিনি পালিয়ে ছিলেন।

পি কে হালদারের ক্যাশিয়ার হিসাবে পরিচিত সুকুমার মৃধার মেয়ে অতশী মোবাইল ফোনে তল্লাশি চালিয়ে শিবশংকর হালদারের ফোন নম্বর পান ভারতীয় গোয়েন্দারা। তাদের কাছে তথ্য ছিলো এই শিবশংকরই মূলত পি কে হালদার।
যেভাবে শিবশংকর হলেন পি কে হালদার :
জালিয়াতিতে পাকাপোক্ত পি কে হালদার ভারতে শিবশংকর হালদার নামে করা পরিচয় পত্র ব্যবহার করে একে একে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের রেশন কার্ড, ভারতের ভোটার পরিচয়পত্র, আয়কর দপ্তরের পরিচয়পত্র পি এ এন (প্যান), নাগরিকত্বের পরিচয়পত্র আধার কার্ড সংগ্রহ করেন। এরপর এসব কার্ড ব্যবহার করে তিনি পশ্চিমবঙ্গসহ বিভিন্ন অঞ্চলে বেশ কিছু ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলেন। দুই ডজনের অধিক বিলাসবহুল বাড়ি গড়ে তুলেন। এ ছাড়া বিভিন্ন জায়গায় বিপুল পরিমাণ জমিজমা কিনেন পি কে। এমনটাই এক বিবৃতিতে জানিয়েছে ইডি। এছাড়া উত্তর ২৪ পরগনা, কলকাতা এবং দক্ষিণ ২৪ পারগনার বিভিন্ন এলাকায় পি কে হালদার ও তার সহযোগীরা স্থাবর সম্পত্তি কিনেছেন, যা সিলগালা করা হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, ভারতের পশ্চিমবঙ্গে অভিযান চালিয়ে প্রশান্ত কুমার হালদারসহ (পি কে হালদার) চারজনকে গ্রেফতার করেছে ইডি। শুক্র ও শনিবার রাজ্যজুড়ে অভিযান চালিয়ে পি কে হালদার, প্রশান্ত কুমার হালদার, প্রীতিশ কুমার হালদার, প্রাণেশ কুমার হালদার এবং তাদের সহযোগীদের গ্রেফতার করা হয়।

মন্তব্য করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *